English Version

নীতিমালা ও নির্দেশাবলী

অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার নিয়মাবলীঃ

 

বিদ্যালয় শাখাঃ

কেজি শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত নিয়মিতভাবে শ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এছাড়া বছরে কেজি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত মোট দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, যেমন- অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা। তবে পঞ্চম, অষ্টম ও দশম শ্রেণিতে ১টি প্রাক-নির্বাচনি ও ১টি নির্বাচনি ও পরীক্ষা ছাড়াও বোর্ড পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য শ্রেণি পরীক্ষা, অধ্যায় ভিত্তিক পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

 

কলেজ শাখাঃ

একাদশ শ্রেণিতে শ্রেণি পরীক্ষাসহ অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। দ্বাদশ শ্রেণিতে শ্রেণি পরীক্ষাসহ প্রাক-নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। উন্নত ফলাফলের জন্য প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষার পর থেকে মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

 

বিভিন্ন শ্রেণিতে ও নির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার নিয়মাবলীঃ

  • ১ম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত পাশ নম্বর ৪৫%। তবে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের পাশ নম্বর অনুসরণ করা হয়।

  • কেজি শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি পরীক্ষার পূর্বে দুটি করে শ্রেণি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

  • কেজি হতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেক পরীক্ষার সাথে শ্রেণি পরীক্ষার নম্বর যোগ করে ফলাফল নির্ধারণ করা হয়।

  • দশম শ্রেণির নির্বাচনি পরীক্ষায় কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয় না।

  • একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যায় ভিত্তিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

  • একাদশ শ্রেণির অর্ধ-বার্ষিক এবং বার্ষিক পরীক্ষার পূর্বে ১০ নম্বরের শ্রেণি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

  • প্রত্যেক পরীক্ষার সাথে শ্রেণি পরীক্ষার নম্বর যোগ করে ফলাফল নির্ণয় করা হয়।

  • দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রাক-নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষা ছাড়াও টিউটোরিয়াল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

  • নির্বাচনি পরীক্ষায় কোন ছাত্র-ছাত্রী কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা সম্ভব হয় না।